ব্যাংকের মূলধন ও সঞ্চিতি ঘাটতি থাকলে উৎসাহ বোনাস নয়

দেশের কোনো ব্যাংকের মূলধন ও সঞ্চিতি (প্রভিশন) ঘাটতি থাকলে সেই ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উৎসাহ বোনাস দিতে পারবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

দেশের কোনো ব্যাংকের মূলধন ও সঞ্চিতি (প্রভিশন) ঘাটতি থাকলে সেই ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উৎসাহ বোনাস দিতে পারবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে জারীকৃত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। প্রজ্ঞাপনের কপি দেশের সবক’টি ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, কোনো আর্থিক বছরে শুধু প্রকৃত আয়-ব্যয়ের ভিত্তিতে নির্ণীত মুনাফা অর্জিত হলে উৎসাহ বোনাস দেয়া যাবে। তবে পুঞ্জীভূত মুনাফা (রিটেইনড আর্নিংস) থেকে কোনো উৎসাহ বোনাস দেয়া যাবে না। রেগুলেটরি মূলধন সংরক্ষণে কোনো ঘাটতি বা কোনোরূপ সঞ্চিতি ঘাটতি (প্রভিশনাল শর্টফল) থাকতে পারবে না। এক্ষেত্রে কোনোরূপ বিলম্বকরণ সুবিধা প্রদত্ত হলে তা মুনাফা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেয়া যাবে না। বিভিন্ন ব্যাংকিং সূচকের উন্নতি ও শ্রেণীকৃত বা অবলোপনকৃত ঋণ আদায়ে পর্যাপ্ত অগ্রগতি এ বোনাস প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নিতে হবে।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উৎসাহ বোনাসের বিষয়ে বলা হয়, রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক, তফসিলি বিশেষায়িত ব্যাংক, অ-তফসিলি বিশেষায়িত ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উৎসাহ বোনাস প্রদান নির্দেশিকা-২০২৫ অনুসরণীয় হবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত সক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্যাংক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি ও আর্থিক সক্ষমতা পর্যালোচনায় সঞ্চিত বা অনাদায়ী আয়ের ভিত্তিতে প্রণোদনা বা বোনাস প্রদান করা আর্থিক সুশাসন ও সুদক্ষ ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এজন্য তফসিলি ব্যাংকগুলোকে তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুকূলে উৎসাহ বোনাস প্রদানের আগে চারটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে।

আরও